উকিল নোটিশ প্রত্যাহার না করলে ব্যবস্থা: আ’লীগ


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লোক দেখানো আইনি নোটিশ পাঠানোর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তা প্রত্যাহার না করলে তার মোকাবিলা আইনি মাধ্যমে করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার দুই পুত্রের দুর্নীতি বাংলাদেশে নয় বিদেশে উদঘাটিত হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দুর্নীতিত্বে পর পর পাচঁ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তারেক রহমানের মানি লন্ডারিং সিঙ্গাপুরের আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। এফবিআই এসে তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। তার পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রীয় ব্যাংক থেকে ৯৮০ কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে। হাওয়া ভবনে রাষ্ট্র পরিচালনার মাধ্যমে ২ লাখ কোটি টাকা দুর্নীতি করেছিলো। শুধু বিদ্যুৎখাতে ২১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীীত হয়েছে। একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য তারেক রহমান চীনের একটি কোম্পানীর কাছ থেকে সাড়ে ৭ লাখ ডলার গ্রহণ করে। তারেকের এক বন্ধু সিঙ্গাপুরের সিটি ব্যাংকে রাখে।

তিনি আরো বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে তথ্য রয়েছে একটি হত্যা মামলার আসামীকে ছেড়ে দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে ছিলেন তারেক রহমানকে। সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে খালেদা জিয়ার শপিংমহল, মার্কেট, বাড়ি আছে। দেশের টাকা বিদেশে পাচার করার জন্য জনসনাধারণের কাছে খালেদা জিয়াকে ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আগে ছেলেদের জন্য কথা বলতেন। যাকে বলে, ‘চোরের মা’র বড় গলা’। তারপর নিজের জন্য বড় গলায় কথা বলেন। আর এখন দেখছি তার উকিলরাও বড় গলা কথা বলছে। এই আইনের নোটিশ’ চোরের উকিলের বড় গলা’।

আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এতিমদের টাকা পর্যন্ত আত্মসাৎ করেছিলেন। এ কারণে আজ তিনি আদালতের চক্কর কাটছেন। এই মামলা তো আর শেখ হাসিনা বা তার সরকার দেয় নাই। দিয়েছে খালেদা জিয়ার পছন্দের সরকার। এই উকিল নোটিশ পাঠানোর বিষয়টিতে তাকে ক্ষমা চেয়ে এটি প্রত্যাহার করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপ প্রমুখ।

No comments

Powered by Blogger.