‘যারা পাঁচ তারকা হোটেলে মিটিং করে তারা জনগণের দল না’
‘যারা পাঁচ তারকা হোটেলে মিটিং করে তারা জনগনের দল না’ এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি।
শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ আয়োজিত ‘জঙ্গীবাদ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও শ্রমিক সমাজ’ শীর্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক দল পাঁচ তারকা হোটেলে মিটিং করে এটি আমরা কল্পনাও করতে পারি না। বিএনপির জাম্বু জেকেট মার্কা কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা হোটেল লা-মেরিডিয়ানে তিন বছর পর হতে যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা প্রতি দুইমাসে একটি হয়। সুতরাং যারা রাজনৈতিক দলের সভা পাঁচ তারকা হোটেলে করে এরা জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে না, এরা জনগনের দল নয় এরা লুটেরাদের দল, এরা শ্রমিকের দল নয়, শ্রমিকের রক্তচোষাদের দল।
‘বাংলাদেশের সংবিধান কোন সেলাইয়ে তৈরি’ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের দোয়াঁশ মাটি থেকে উৎসরিত জনগনের সেলাইয়ে তৈরি এই সংবিধান। আপনারা ভারত, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অষ্ট্রেলিয়ার উদাহারণ দেন সেখানে যেমন তত্বাবধায়ক সরকার নাই বাংলাদেশেও নির্বাচন কালীন সময়ে শেখ হাসিনাই প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবেন। আপনাদের আবদার রক্ষার্থে এর কোন ব্যত্যয় বে না।
‘আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশ গ্রহন যাতে না হয় সেই লক্ষে নাকি তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে’ বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আপনারা পুলিশের উপর হামলা চালাবেন, পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই করবেন, পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিবেন এবং সেই অস্ত্র ভেঙ্গে দিবেন আর আপনাদের গ্রেফতার করা যাবে না। এটা কোন ধরনের আইন আমার বোধগম্য নয়। সুতারাং শুধু যারা পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছে তাদেরকে গ্রেফতার করলে হবে না। তাদেরকে যারা নির্দেশ দিয়েছে তাদের নেতাদেরকেও গ্রেফতার করতে হবে। আমরা চাই আপনারা আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আপনাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন।
আওয়ামী লীগের সমস্ত পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আগামী ৭, ৮, ৯ ফেব্রুয়ারি মাঠে থাকার অাহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৭, ৮, ৯, ফেব্রুয়ারি আমরা রাজপথে থাকবো যদি আবারও শ্রমজীবি মানুষের উপর প্রেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়, হামলা করা হয়, সেই হামলা শুধু প্রতিহত নয়, হামলাকারীদের ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে দিবো ইনশাআল্লাহ।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইনসুর আলী, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েলসহ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
Collected News : bd24live.com

No comments