কিভাবে বুঝবো সঙ্গিনীর তৃপ্তি বা অর্গ্যাজম হয়েছে কি না?


আপনি ঠিকই জানেন যে মেয়েদের বীর্যপাত হয়না। বীর্যপাত করা কেবল ছেলেদের এক্তিয়ার! বীর্যপাত না হলেও আপনার সঙ্গিনীর যৌন তৃপ্তি হয়েছে কি না সেটা কিছু শারীরিক লক্ষণ দেখে বোঝা যেতে পারে।

যৌন তৃপ্তির চরম মুহূর্ত, অর্থাৎ অর্গ্যাজমের সময় মেয়েদেরও ছেলেদের মতন চরম আনন্দ বোধ হয় এবং তাদের চোখে, মুখে ওই আনন্দ ফুটে ওঠে।

মেয়েদের ক্ষেত্রেও ওই সময় শরীরের বিভিন্ন পেশী (যোনি, জরায়ু, পায়ু, শ্রোনীচক্রের তলদেশ, উরু) নির্দিষ্ট ছন্দে সংকুচিত-প্রসারিত হয়।

উল্লেখযোগ্য যে অর্গ্যাজমের সময় যোনির ভেতরের দেওয়ালের পেশীর পর্যায়ক্রমিক সংকোচন-প্রসারণ যোনিতে প্রবিষ্ট পুরুষাঙ্গেও অনুভূত হতে পারে।

এছাড়াও অর্গ্যাজমের সময় মেয়েদের দ্রুত শ্বাস পড়তে থাকে, ঘাম হয়, গরম লাগে, শরীর কাঁপতে থাকে এবং শিৎকার বা চিৎকার করতে ইচ্ছে হয় (অনেকেই ওই সময় আনন্দে চিৎকার করে ওঠে)।

ওই সময় শরীরে এন্ডোর্ফিন ক্ষরিত হয়ে রক্তে মিশে যায়, যার ফলে আনন্দ হয় এবং অনেক সময় ঘুমের আবেশ চলে আসে।

অনেকের আবার ত্বকে রক্ত চলাচল বেড়ে গিয়ে গায়ের রঙ হালকা লালচে হতে পারে এবং স্তনের চুচুক শক্ত হয়ে আকারে বেড়ে যেতে পারে।

তবে প্রত্যক বার যৌন সঙ্গমে মেয়েদের অর্গ্যাজম নাও হতে পারে। দেখা গেছে প্রায় ৫৫ শতাংশ ক্ষেত্রে মেয়েদের অর্গ্যাজম হয়ই না। তাই মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রতিবার সহবাসেই যৌনতৃপ্তি হয়েছে কি না সেটা স্পষ্ট বোঝা নাও যেতে পারে।

পুরুষের ক্ষেত্রে বীর্যপাত দেখে যেমন বোঝা যায় যে তার অর্গ্যাজম হয়েছে, মেয়েদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অতটা সহজ নয়। তবে আপনার সাথে সঙ্গিনীর সম্পর্ক যদি খোলামেলা হয় তাহলে তার কথাতেও আপনি বুঝতে পারবেন যে সঙ্গিনীর যৌন তৃপ্তি সম্পূর্ণ হয়েছে কি না।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে যৌনসঙ্গমের তুলনায় ক্লিটোরিস (clitoris) বা ভগাঙ্কুর উত্তেজিত করলে মেয়েদের orgasm হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেজন্যেই যৌনসঙ্গমের সময় যদি সঙ্গিনীর ক্লিটোরিসও উত্তেজিত করতে পারেন তাহলে আপনার সঙ্গিনীর যৌন তৃপ্তি(অর্গ্যাজম) হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পাবে।

Collected News : padmanews24.com

No comments

Powered by Blogger.