কনডমের ব্যবহার নিয়ে যতসব ভ্রান্ত ধারণা
পরিবারের রক্ষণশীলতার চাপে পড়ে মনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা যৌনতা বিষয়ক কথাগুলোর খোলামেলা আলোচনা করতে ব্যর্থ হয় অধিকাংশ কিশোর-কিশোরীরা। যার ফলে এই বিষয়ে যথাযথ জ্ঞানের অভাবে নিজেদের ভয়ঙ্কর বিপদের দিকে ঠেলে দেয় তারা। অল্প বয়সেই আক্রান্ত হয় নানা রকম জটিল যৌন এবং চর্ম রোগে। শুধু অল্প বয়সীই নয়, প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মাঝেও যৌনতা নিয়ে কথা বলতে সংকোচ রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে কনডমের ব্যবহার নিয়েও বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণা। খবর : প্রিয়ডটকমের।
একজন মানুষের কাছে কনডম পাওয়া গেলে সমাজ তাকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। কিন্তু এইডস এবং হেপাটাইটিসের মতো নানা রকম ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হয়ে যখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে হয়, তখন আর এসব লোক-লজ্জা জীবনের কোনো কাজেই আসে না। কনডম নিয়ে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণাগুলো এড়িয়ে জেনে নেই চিকিৎসা বিজ্ঞানে কনডমের কিছু প্রয়োজনীয় ব্যবহার।
১. আপনার সঙ্গীর কোন যৌনরোগ রয়েছে কিনা কিংবা আদৌ তিনি কোন চর্মরোগে আক্রান্ত কিনা তা হয়তো আপনিও সম্পূর্ণরূপে জানেন না। তাই ভবিষ্যতে মূর্খের মতো নিজেকে ঔষধ ও হাসপাতালের পেছনে ছোটাছুটি না করে আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। কেননা কনডম শুধুমাত্র প্রেগন্যান্সি এড়ায় না, আপনাকে অপ্রত্যাশিত ছোঁয়াচে যৌন ও চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়া থেকেও রক্ষা করে।
২. অবশ্যই মনে রাখবেন, কনডম ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই মেয়াদোত্তীর্ণ কিনা তা যাচাই করে নেওয়া উচিত। তা না হলে হিতে বিপরীতও হয়ে যেতে পারে।
৩. অনেক দম্পতি মনে করেন কনডমের কারণে দৈহিক মিলন কিছুটা অস্বস্তির হয়ে উঠে। কিন্তু গবেষণা বলছে উল্টো কথা। গবেষণা মতে, কনডম ব্যবহারেরই স্বাচ্ছন্দ্যতা থাকে বেশি। তাছাড়া বাজারে এমনও কিছু কনডম রয়েছে যার মধ্যে কৃত্রিম অনুভূতির অস্তিত্ব একেবারে নেই বললেই চলে।
৪. বেশির ভাগ কনডমেই তেল এবং লুব্রিকেন্টের পর্যাপ্ততা থাকে। তাছাড়া প্রেগন্যান্সি পিল অনেক সময় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে থাকে। তাই সাবধানতার কারণে বিকল্প হিসেবে কনডম বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
(তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া)

No comments