‘সিনেমা জগতে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ হাস্যকর, ভণ্ডামি’


সিনেমা জগতে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে সোচ্চার নারীদের বিভিন্ন অভিযোগগুলো ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভণ্ডামিপূর্ণ, হাস্যকর ও একঘেয়ে’ বলে মন্তব্য করলেন ফ্রান্সের সাবেক অভিনেত্রী ব্রিজিত বার্তোদ।

প্যারিস ম্যাচ পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্তোদ বলেন, ‘অনেক অভিনেত্রী একটি চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার জন্য প্রযোজকদের সাথে ফ্লার্ট করে। পরে ওইসব গল্প বলার সময় তারা দাবি করে তাদেরকে হয়রানি করা হয়েছে। এমন করার ফলে তাদের কোনো লাভ হয় না, কেবল ক্ষতি হয়।’

তিনি কখনোই যৌন হয়রানির স্বীকার হননি দাবি করে বার্তোদ আরও বলেন, কেউ তার রুপের বা শারীরিক গড়নের প্রশংসা করলে তার ভালোই লাগতো।

বার্তোদ সম্প্রতি যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করা নারীদের সমালোচনায় মুখ খোলা দ্বিতীয় বিখ্যাত ফরাসি অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘মি-টু’ হ্যাশট্যাগের অনুকরণে ফ্রান্সেও আন্দোলন শুরু হয়।

এরপর ৯ জানুয়ারি ক্যাথেরিন দুনভ যৌন হয়রানির বিষয়ে একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। ওই চিঠিতে এই আন্দোলনকে ‘শুদ্ধতার গোঁড়ামির ঢেউ’ বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘কাউকে পটানোর বা নাছোড়বান্দার মত অনুরোধ করে যাওয়ার স্বাধীনতা জরুরি।’

পরে অবশ্য ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারী অন্য ব্যক্তিরা চিঠির বক্তব্যকে বিকৃত করেছেন বলে মন্তব্য করেন ক্যাথেরিন।

বার্তোদ ১৯৭৩ সালে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তার ২০ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি টানেন। তাকে চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সবচেয়ে সেক্স-সিম্বল বা যৌন আবেদনময়ী নারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পশু সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ইস্যুতে বার্তোদ কাজ করে আসছেন। কিন্তু, একই সঙ্গে বর্ণবৈষম্যমূলক কার্যকলাপের কারণে ফ্রান্সের আদালতে পাঁচবার দোষী সাব্যস্ত হয়ে জরিমানা দিয়েছেন তিনি।

Collected News : poriborton.com

No comments

Powered by Blogger.